WB Govt karma tirtho Prakalpo: আপনি নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাইছেন কি?তাহলে করতে পারেন,কারন সরকার ফ্রীতে দোকান ঘর দিচ্ছে

WB Govt karma tirtho Prakalpo: বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড়ো সমস্যা হল বেকার সমস্যা। দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নয়নের জন্য যুব সমাজের শক্তির প্রয়োজন। কিন্তু কোটি কোটি যুবক যুবতী বেকার হয়ে বসে আছে। বেকারত্বের সমস্যায় তারা ধীরে ধীরে অন্ধকার জীবনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বেকারত্বের সমস্যা অনেক আগে থেকেই ছিল। কিন্তু বিগত দু’বছরে করোনা অতিমারীর কারনে গোটা বিশ্ব জুড়ে আর্থিক মন্দার জেরে সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি চাকরির বাজার খুব খারাপ।

WB Power Dept Recruitment 2022: বড় সুখবর! পশ্চিমবঙ্গ বিদুৎ ভবনের তরফ থেকে নতুন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

তাই বেশির ভাগ বেকার যুবক-যুবতী অনলাইনে কিংবা সরাসরি দোকান ঘর নিয়ে ব্যবসার উদ্যোগ নিচ্ছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক মুল্য বৃদ্ধির জেরে সাধারন মানুষের সংসার চালাতেই নাজেহাল অবস্থা। তার ওপর নতুন করে ব্যবসার পরিকল্পনা তাদের কাছে যেন অলীক স্বপ্ন। কিন্তু আপনার ব্যবসা করার স্বপ্নকে স্বার্থক করতে পারে সরকার। হ্যা ঠিক শুনছেন আপনি দোকান ঘর খুলে ব্যবসা করতে চাইলে দোকান ঘরটি আপনাকে সরকার দেবে।

WB data entry operator recruitment: নতুন চাকরির খবর! পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য বিভাগে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

আপনি ব্যবসা করে জীবনে প্রতিষ্ঠা পেতে চাইছেন কি? কিংবা জীবন জীবিকার মাধ্যম হিসাবে চাকরির বদলে ব্যবসাকেই বেশি প্রাধান্য দিতে চান তাহলে এই সরকারি সুযোগটি নেহাত আপনার জন্য। কারণ ব্যবসা করতে চাইলে যেমন দরকার সঠিক পরিকল্পনা তেমনি দরকার পুঁজি অথবা ব্যবসায়িক ভালো জায়গা বা দোকান ঘর। এবার সেই দোকান ঘর দেবে সরকার। তাও আবার একদম ফ্রীতে।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ক্ষমতায় আসার পর তিনি বাংলার মানুষের কথা ভেবে অনেক কিছু করে চলেছেন। তিনি যেন বাংলার মানুষের কাছে মা হয়ে উঠেছেন। তিনি বাংলার জন্য একটার পর একটা নতুন প্রকল্প চালু করে চলেছেন। রাজ্যের মা বোনেদের জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প শুরু করেছেন।মেয়েরা যাতে অর্থনৈতিক দিক থেকে সাভলম্বি হয়ে ওঠে সেই লক্ষ্যেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করেছেন।

BSNL recruitment 2022: সুবর্ণ সুযোগ!কোন রকম পরীক্ষা ছাড়াই BSNL সরাসরি চাকরিতে নিয়োগ করতে চলেছে,

তেমনি বাংলার বেকার যুবক যুবতীদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য তিনি বাংলাতে কর্মতীর্থ (Karmatirtho) প্রকল্প চালু করেছেন।রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে বিগত কয়েক বছর আগে মুখ্যমন্ত্রী এই কর্মতীর্থ প্রকল্প চালু করেছেন। এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্য সরকার বেকার যুবক যুবতীদের ব্যবসা করার জন্য দোকান ঘর দেবে।

রাজ্যে বেকারত্বের হার এতোটাই বেড়ে গেছে যে লাগামহীন বেকারত্বের রাশ নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল হারে কর্মসংস্থান (employment) করার লক্ষ্যেই এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের জেলায় জেলায় এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে।সরকারি তরফে ঘোষণা করা হয়েছে এই প্রকল্পের আওতায় ঘরগুলির জন্য কোনও অর্থ মুল্য নেওয়া হবে না। অর্থাৎ একেবারে বিনামূল্যে ব্যবসা করার জন্য দোকান ঘর দেবে সরকার।

Govt Job Reqruitment 2022: ভারত সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রকে ১ লক্ষ ১০ হাজার কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

কর্মতীর্থ প্রকল্পের উদ্দেশ্য?

পশ্চিমবঙ্গ সরকার বেকার যুব সম্প্রদায়কে স্বনির্ভর করে তোলার জন্য বা কোন বেকার যদি দোকান বা কোন অফিস খুলে কাজে যুক্ত হতে চায় তাহলে সরাসরি আর্থিক সাহায্য দেওয়ার লক্ষ্যেই এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।

ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ (wb govt) সরকারের কর্মতীর্থ প্রকল্পের আওতায় জেলার প্রায় প্রতিটি ব্লকেই কর্মতীর্থ বিল্ডিং(building) তৈরি করা হয়েছে। রাজ্যের প্রান্তিক অর্থাৎ গ্রাম বাংলার মানুষ এই কর্মতীর্থ প্রকল্পের বিল্ডিং এ ঘর নিয়ে মনের মতো ব্যবসা করে জীবনে সু-প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন। অর্থাৎ ওই দোকানে আপনার পছন্দ মতো জিনিস দিয়ে সাজিয়ে আপনি নিজের মন মতো ব্যবসা করতেই পারেন।

এই প্রকল্পের আওতায় দোকান ঘর নিয়ে নিজের এলাকাতেই আপনি মনের মত এবং সুবিধা মত ব্যবসা করতে পারেন। তবে ব্যবসা করার জন্য এই প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ হওয়া ঘর নিতে আপনাকে রীতিমতো সরকারি দফতরে আবেদন করতে হবে।তবেই ব্যবসা করার জন্য উপযুক্ত ঘর মিলবে। এই কর্মতীর্থ প্রকল্পে ঘর নেওয়ার জন্য কোথায়, কিভাবে আবেদন করতে হবে জেনে নেওয়া যাক তাহলে-

আবেদন করবেন কিভাবে?

এই প্রকল্পের জন্য অনলাইন অফলাইন দুই ভাবেই আবেদন করা যাবে। যদি আপনি অনলাইনে আবেদন করতে চান তাহলে কর্মতীর্থ প্রকল্পের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আর অফলাইনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্লক অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।

আবেদনপত্র পূরণ করতে কি কি লাগবে?

আবেদন পত্রটি পূরণের সময় আবেদনকারী প্রার্থীকে ভোটার কার্ড, আঁধার কার্ড, প্যান কার্ড, ইত্যাদি সঙ্গে রাখতে হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীকে তার জাতিগত সংশাপত্র সঙ্গে রাখতে হবে।

কোন ধরনের ব্যবসা করতে পারবেন?

ওই ঘরগুলিতে যে কোনও ধরণের ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের ব্যবসা বা উৎপাদন ভিত্তিক ব্যবসা করতে পারবেন। আপনি আপনার কোনও ব্যবসার অফিস ঘর বানাতে চাইলেও তা বানাতে পারেন।

ব্যবসার ক্ষেত্রে কোন বিধিনিষেধ আছে কি?

একটি ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রাখা হয়েছে সেটি হল এই ঘরে আপনি কোনও দাহ্য ও বিস্ফোরক বস্তুর ব্যবসা বা কারবার চালাতে পারবেন না।

কর্মতীর্থ প্রকল্পের নির্দিষ্ট জেলার ওয়েব সাইটে গিয়ে আপনি সহজেই আপনার ব্যবসায়িক প্রয়োজনের দোকান ঘর সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য যেমন জানতে পারবেন। তেমনি নির্দিষ্ট বিল্ডিং-এ ঘরের তালিকা এবং কতগুলি ঘর ফাঁকা পড়ে আছে সে বিষয়েও যাবতীয় তথ্য পাবেন।

আবেদন করার পর আপনি নির্বাচিত হলে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন ওই প্রকল্পের দায়িত্ব প্রাপ্ত আধিকারিকরা।ঘরের জন্যে কোথাও কোনও টাকা পয়সা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।একদম বিনামুল্যে এই দোকান ঘর পেয়ে যাবেন। তাহলে আর দেরি না করে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে কর্মতীর্থ প্রকল্পে ঘর নেওয়ার জন্য এখনই আবেদন করুন।

 

Leave a comment

JoinJoin